সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ০৪:০৫ পূর্বাহ্ন

Notice :
সারা বাংলাদেশ ব্যাপী বিভিন্ন জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে..........চট্টগ্রাম অফিস: সৈয়দ নূর বিল্ডিং , এম এ আজিজ রোড, সিমেন্ট ক্রসিং, দক্ষিণ হালিশহর, চট্টগ্রাম।মোবাইল নাম্বারঃ ০১৯১১৫৩৩৩০৮, ০১৭১১৪৬৭৫৩৭, E-mail: gsmripon@gmail.com
সংবাদ শিরোনাম:
দুর্ধর্ষ ছিনতাইকারী মোঃ রিয়াজ প্রঃ রিয়াদকে গ্রেফতার করেছে ইপিজেড থানা পুলিশ সার্বিক নিরাপত্তায় যথাযথ ধর্মীয় ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে উদযাপিত হলো জশনে জুলুস ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী(সা.) চট্টগ্রামে ৫টি গুরুত্বপূর্ণ থানায় রদবদল সিএমপির হালিশহর থানায় হাজেরা আক্তার টুনি ও নুর নাহার ঝিল্লি ৮ কেজি গাঁজা সহ হাতে নাতে গ্রেফতার। চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গরে বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযান চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত সেন্টমার্টিনে কোস্ট গার্ডের তত্ত্বাবধানে”বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি-২০২৬ এর শুভ উদ্বোধন করেছেন পরিবেশ,বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম আগমন উপলক্ষে সিএমপিতে নিরাপত্তা সংক্রান্ত ব্রিফিং প্যারেড বাংলাদেশ শ্রমিক ফেডারেশন বিএসএফ এইচ পাওয়ার ও সিএনজি চালক কমিটির কার্ড বিতরণ। জুলাই-আগস্টের শহীদরা চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে—মেয়র ডা.শাহাদাত হোসেন

ত্রাণ নয় প্রাণ বাঁচার মেশিন চাই।

 

চট্টগ্রামে করোনা সমাচার- ৩
বিষয়: ত্রাণ নয় প্রাণ বাঁচার মেশিন চাই।

মো: কামাল উদ্দিন

গত দু’সংখ্যার পর আজ লিখছি। চট্টগ্রামে ত্রাণ নয়, প্রাণ বাঁচানোর মেশিন (আইসিইউ, ভেন্টিলটর) প্রয়োজন। চট্টগ্রামের বেশীভাগ মানুষের আকুলি-বিকুলি। আমাদের চট্টগ্রামে করোনা রোগীদেরকে বাঁচানোর জন্য আইসিইউ, ভেন্টিলেটর দরকার। দিন দিন প্রতিদিন চট্টগ্রামে করোনা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং পাচ্ছে। তার বিপরীতে রোগীর ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন হাসপাতাল নেই এবং আশংকাজনক রোগীকে বাঁচানোর জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ আইসিইউ এবং ভেন্টিলেটরও নেই। ২ কোটি মানুষের জেলায় মাত্র ১০টি আইসিইউ রয়েছে, সিট রয়েছে ৩’শত। কিন্তু আক্রান্তের সংখ্যা সীটের তুলনায় দশগুণ বেশী ও আইসিইউ’র তুলনায় ৫০ গুন বেশী হবে। যেখানে চট্টগ্রাম ঢাকার পরে করোনা রোগী ও আক্রান্তের সংখ্যায় সর্বোচ্চ। সেখানে রয়েছে নামে মাত্র হাতে গোনা ৩টি পরীক্ষা কেন্দ্র। রোগীর চিকিৎসার হাসপাতালের সংখ্যা ১টি, আইসিইউ রয়েছে মাত্র ১০টি। যা আগেই বলেছি সবকিছু বিবেচনা করলে দেখা যায় করোনা রোগের আক্রান্ত হলে আল্লাহ রহমতে বাঁচলে বাঁচবে না হয় মরলে মরবে। ১০টি আইসিইউ দিয়ে এত বড় চট্টগ্রামকে পর্যাপ্ত পরিমাণ রোগীর প্রাণ বাঁচাতে পারবে? তা কি সম্ভব? যা ইতিমধো প্রমাণিত হয়েছে। আইসিইউ সংকটের কারণে একাধিক রোগী মৃত্যুবরণ করেছে। আরো কত যে পরিমাণ রোগী প্রাণ হারাতে হয় তা একমাত্র আল্লাহ ব্যতীত আর কেউ জানেনা। তাই চট্টগ্রামের মানুষের প্রাণের দাবী, ত্রাণের দরকার নাই, প্রাণ বাঁচানোর মেশিন চাই! সরকারের দায়ীত্বশীলগণ কতটুকু মনে প্রাণে বিবেচনা নিয়ে দায়ীত্ব প্রালন করছে চট্টগ্রামবাসী জানেনা। সরকারী দলের এম পি মন্ত্রী এবং মেয়রসহ সংশ্লিষ্টরা ত্রাণ নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে। কিন্তু প্রাণ বাঁচানোর জন্য যে মেশিনের সংকট রয়েছে। তাঁর কোন সুরাহা করছেননা। সিভিল সার্জন ও স্বাস্থ্য পরিচালক একভাবে চলেন, জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার চলেন তাদের মতের ভিত্তিতে। অন্যদিকে মেয়র আছেন নিজের গতিতে, কোন ধরনের সমন্বয় নেই। সাধারণ নিরহ অনাহারী মানুষের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণের প্রয়োজন রয়েছে তা কিন্তু সত্য, তবে ত্রাণ না পেলে যে একেবারে মানুষ প্রাণ চলে যাবে তা কিন্তু নয়। তবে করোনার আক্রান্তে আশংকাজনক রোগী কিন্তু যথাসময় যথানিয়মে আইসিইউ’তে চিকিৎসা দরকার। তা যথাসময়ে না পেলে রোগীর মৃত্যু ঘটবে এবং ঘটছে যা সবাই অবগত আছেন। জেলা হাসপাতালের পাশাপাশি প্রতিটি উপজেলা হাসপাতাল গুলোতে আইসিইউ বসানোর ব্যবস্থা করতে হবে। প্রয়োজনে চট্টগ্রাম শহরে যেসব বেসরকারী হাসপাতালে আইসিইউ রয়েছে তা করোনা রোগীর জন্য ব্যবহার করার ব্যবস্থা নিতে হবে। আমাদের চট্টগ্রামে নব প্রতিষ্ঠিত ইম্পেরিয়াল হাসপাতালে ৫০টি একেবারে নতুন রক্ষিত ৫০ টি আইসিইউ জরুরী ভিত্তিতে ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া উচিৎ ছিল এবং পরিশেষে অনুমতি দিয়েছে । অন্যদিকে করোনা রোগের টেষ্ট সরকারের হাতে রাখতে হবে। অন্যদিকে একাধিক ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠিত হবে। চট্টগ্রাম নাগরিক ফোরামের প্রস্তাবিত একাধিক ফিল্ড হাসপাতাল প্রতিষ্ঠা এবং সেনাবাহিনীর মাধ্যমে পরিচালনাসহ ১৩দফা দাবী বাস্তবায়ন করলে। চট্টগ্রামে করোনা আক্রান্ত রোগীদের পর্যাপ্ত পরিমাণ চিকিৎসা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রোগীর তুলনায় হাসপাতালে আসন সংখ্যা একেবারে কম তা আমি আগেও উল্লেখ করেছি। দিন দিন রোগী সংখ্যা বৃদ্ধি হওয়াটা আশঙ্খা জনক। চট্টগ্রামবাসীর জন্য এটি দু:সংবাদ। এই সর্বনাশা করোনা রোগ থেকে বাঁচার জন্য সরকারের নির্দেশনা মানার পাশাপাশি প্রতিটি মানুষ সচেতন হতে হবে। শাররীক দূরত্ব রেখে কাজ করতে হবে মানসিক ভাবে রোগ মোকাবেলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। আমাদের সচেতনতায় করোনা নিরোধের একমাত্র মহা-ঔষধ।
….. চলবে।

আপনার সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2023 Channel69tv.net.bd
Design & Development BY ServerNeed.com